Banar

মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০১৪

নওগাঁয় এলজিইডি অফিসে জুন ক্লোজিং বানিজ্য লাখে ৩ হাজার উতকোচ আদায়


নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা ঃ নওগাঁ এলজিইডি অফিসে জুন ক্লোজ্ংি বানিজ্য চলছে । ১ লাখে ৩  হাজার টাকা উতকোচ দিতে বাধ্য হচ্ছে ঠিকাদার সহ সাধারন মানুষ । এ নিয়ে বেশ কয়েক জন ঠিকাদার প্রতিবাদ করায় তাদের কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকি দিয়েছে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সুশীল কুমার দাস । নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করে জানায়  বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী নওগাঁয় যোগ দান করার পর থেকেই এ অফিসে ঘুষ বানিজ্য মেতে উঠে কর্মকর্তা কর্মচারীরা । কাজের নানা ফাক দেখিয়ে বাড়তি সুবিধা আদায় করা এক রকম রেওয়াজে পরিনত করেছে । জুন মাসের বছরের শেষ হিসাব ক্লোজ করার সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে অফিসের একাউনটেন্ট সামসুল আলম  এবং ওয়ার্ক এসিটেন্ট ট্রেজারী কাজ পরিচালনা করার দায়িত্বে নিয়োজিত মফিজ উদ্দিনকে উতকোচ নেওয়ার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে । বগুড়ার মুরইল এলাকার এক ঠিকাদার অভিযোগ করে জানান, তার ৪৮ লাখ টাকার কাজ বাস্তবায়ন করা একটি চেক সম্পন্ন হয় । কিন্ত সে চেক নিতে গেলে ট্রেজারী কাজে নিয়োজিত মফিজ উদ্দিন ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার দাবী জানায় ।এত টাকা দিয়ে কেন চেক নিতে হবে এর উত্তরে মফিজ উদ্দিন এক্সচেন সারের নাম ব্যবহার করে। পরে ঐ ঠিকাদার নির্বাহী প্রকৌশলী সুশিল কুমার দাসের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন এ ব্যাপারে মফিজ উদ্দিনের সাথে কথা বলতে । বাধ্য হয়ে ঐ ঠিকাদার মোটা অংকের অর্থ দিয়ে চেকটি গ্রহন করেন । এভাবে আরো বেশ ক জন ঠিকাদার সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করে বলেন,  জুন ক্লোজিং এর নাম করে এ অফিসে প্রতিদিন লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন চলছে । এ ব্যাপারে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সুশীল কুমার দাসের সাথে কথা বলা হলে তিনি জানান, জুন মাসে হিসাবের চাপ থাকে এ লক্ষে তরিঘরি কাজ করার জন্য কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে । তার নাম ব্যবহার করে যে অর্থ আদায় করছে তার উত্তরে তিনি বলেন কেউ যদি খুশি হয়ে কাউকে কিছু দেয় তা দোষের কিছু দেখি না ।

কোন মন্তব্য নেই: