Banar

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০১৫

নওগাঁ পিটিআই সুপারের অপসারনের দাবীতে প্রশিক্ষনার্থীদের ক্লাশবর্জন

নওগাঁ প্রতিনিধি ঃ নওগাঁয় পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্টের অশালীন ও অসৌজন্যমুলক আচরনের প্রতিবাদ এবং তাকে অপসারনের দাবীতে ক্লাশবর্জন করেছেন প্রশিক্ষনার্থীরা। গতকাল বুধবার সকাল থেকে প্রশিক্ষনার্থীরা তাদের ক্লাশবর্জন করে মাঠে সমবেতভাবে অবস্থান গ্রহন করেছেন। এদিকে দুপুরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।
জানা গেছে, পিটিআইয়ের সুপারিনডেন্ট খন্দকার দ্বীন মোহাম্মদ নানাভাবে প্রশিক্ষনার্থীদের হেয় করে আসছিলেন। হোষ্টেলে নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। এমনকি একটি বৈদ্যুতিক বাল্বের প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষনার্থীদের নিজের অর্থে ক্রয় করতে বলেন।
এ বিষয়ে পিটিআইয়ের প্রশিক্ষনার্থী সুলতানা রাজিয়া ও আতিয়া নাসরীন বলেন, এ্যসেম্বলীর সময় সকল প্রশিক্ষনার্থীদের পিটি করার নামে দুহাত উপরে উঠাতে নির্দেশ দেন। মহিলা প্রশিক্ষনার্থীরা এতে অশালীন মনে করে হাত উপরে উঠাতে আপত্তি করলেও তিনি তা মানতে নারাজ। প্রশিক্ষনার্থীদের কমন রুমের জন্য সরকারী বরাদ্দকৃত দৈনিক পত্রিকা সরবরাহ করা হয়না। এছাড়াও প্রশিক্ষনার্থী মুক্তা বানু, তারিকুল ইসলাম, ওহাববিন ফজল, শহিদুল ইসলাম ও মাহফুজ একই অভিযোগ করে বলেন, প্রশিক্ষনার্থীদের পিতা-মাতার বা নিকট আত্মীয়দের অসুখ বিসুখের কারনে ছুটির প্রয়োজন হলে তিনি তাদের ছুটি দেননা। তিনি বলেন পিতা-মাতা কে ? এখানে আমি যা বলবো তাই হবে। এটি একটি জেলখানা। জেলখানার নিয়ম কানুন সবাইকে মেনে চলতে হবে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে একেবারে অর্জিনাল জেলখানায় পাঠিয়ে দিবো।
এ ব্যাপারে পিটিআইয়ের সুপার খন্দকার দ্বীন মোহাম্মদ তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রশিক্ষনার্থীরা পিটিআইয়ের নিয়মকানুন মানতে চায় না। তাদের নিয়মের মধ্যে আনতে চাইলে তারা বিক্ষুব্ধ হয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই: