নওগাঁর সাপাহারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে আবারো দু’টি বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়েছে। গতকাল সোমাবার দুপুরে নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন মিঞার নির্দেশে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান ও এস আই মনিরুল ইসলাম এ দু’টি বাল্য বিবাহ বন্ধ করেন। জানা গেছে উপজেলার খনঞ্জনপুর কাশিতাড়া গ্রামের হাসান আলী তার ৭ম শ্রেণীতে পড়–য়া দু’জমজ কন্যা মোসাঃ এরিনা খাতুন ও সেরিনা খাতুন এর বিবাহ ঠিক করে উপজেলার পাতাড়ী ও গোয়ালা গ্রামে। সে মোতাবেক দু’পক্ষেরই বরযাত্রীরা এসে উপস্থিত হয় বিয়ে বাড়ীতে। শুরু হয় বিয়ে পড়ানোর প্রস্তুতি সঠিক সময়ে এ সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও পুলিশকে পাঠিয়ে দেয় ওই বিয়ে বাড়ীতে। তৎক্ষনাত তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে বন্ধ করে দেন বিয়েবাড়ীর সকল প্রকার কার্যক্রম বরযাত্রীদের পাঠিয়ে দেন নিজ নিজ বাড়ীতে। গ্রামের শত শত মানুষের উপস্থিতিতে বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করে ১৮বছরের পূর্বে জমজ দু’বোনকে বিয়ে না দেয়ার অঙ্গিকার করান পিতাকে। ঠিক সময়ে এই বাল্য বিয়ে বন্ধ হওয়ায় মনের আনন্দে স্কুল জীবনে ফিরে যান জমজ দু’বোন এরিনা ও সেরিনা। উল্লেখ্য গত ৪আগষ্ট উপজেলার শীতলডাঙ্গা ফকির পাড়া গ্রামে ৫ম শ্রেণী পড়–য়া বেবী খাতুনের বিয়ে বন্ধ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
১১আগষ্ট/২০১৪
১১আগষ্ট/২০১৪
.jpg)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন